হরিণের ডালপালা
শিংয়ের ডালপালা মাথায়, হরিণ যেমন ঘাড় ঘুরিয়ে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে সেরকম একটা দৃষ্টি টের পাই। কোনো বিশাল প্রান্তর, মাঠ বা হাওর বা নদী, নদীর চরের কাছে এলে বা পেরোতে গেলে, মনে হয় একটু দাঁড়াই। না হয় একটু বসি চুপ করে। মনে হয়, এদের সঙ্গে যেন আমার কিছু কথা আছে। নীরবে বসলে এদের কথাটি যেন আমি বুঝতে পারি। মানুষ নিজেকে খুব বেশিই গুরুত্ব দিয়েছে, যার জন্য এই পৃথিবীতে তার হাত থেকে ক্ষতি হয়েছে বেশ। আর কোনও জীবের সেই দায় নেই। মানুষ পৃথিবী থেকে চলে গেলেও তার কৃতকর্মগুলি আবর্জনার মত রয়ে যাবে দীর্ঘদিন। এগুলো স্বাভাবিক করতে অর্থাৎ পৃথিবীপোযোগী করতে হয়তো অনেক বছর লেগে যাবে প্রকৃতির। ভেবে দেখেছি মানুষের কাজগুলো পৃথিবীর সঙ্গে খাপ খায় না। মানুষের শ্রেষ্ঠ কাজগুলো, সেরা কাজগুলোও প্রকৃতিতে বেখাপ্পা বলে মনে হয়। কোথাও গগনচুম্বি উঠেছে ইমারত, কোথাও হু হু করে উঠেছে টাওয়ার, দুই দেশের বুক চিরে কাটাতার, নদীকে ঘুরিয়ে দিয়ে অন্যদিকে প্রবাহিত করা হয়েছে, সমুদ্রকে ছেঁকে তোলা হচ্ছে, তার তল দিয়ে গেছে রেললাইন– সভ্যতার প্রয়োজনেই হয়তো হয়েছে, তবে এসব করতে গিয়ে আমর...